গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলী
১। নাম :
এই ক্লাব করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাব নামে অভিহিত হইবে।
২। আদর্শ ও উদ্দেশ্য :
ক) শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত, নৃত্য, চিত্র ও চারুকলা এবং নাট্য চর্চার উন্নয়নার্থে এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণসহ একটি পাঠাগার প্রতিষ্ঠাকরণ।
খ) ক্লাবের আগ্রহী সকল সদস্যদের ও তাদের সন্তান-সন্তুতিদের ‘ক’ এ বর্ণিত বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ।
গ) স্থানীয়ভাবে সাংস্কৃতিক চেতনাসমৃদ্ধ সমাজ গঠন ও তৎসংক্রান্ত মূল্যবোধের প্রসারে উদ্যোগ গ্রহণ।
ঘ) আভ্যন্তরীণ বিনোদনমূলক খেলাধুলার ব্যবস্থা করণ।
ঙ) প্রতি বৎসর ক্লাবের পক্ষ হইতে ন্যূনতম একটি নাটক মঞ্চায়নের ব্যবস্থা করণসহ স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে অনুষ্ঠিতব্য সকল প্রকার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ।
চ) প্রতি বৎসর জাতীয় উৎসব উদ্যাপন যেমন— নববর্ষ, বিজয় দিবস, ২১শে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস, রবীন্দ্র ও নজরুল জয়ন্তী উদ্যাপনসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার ব্যবস্থা গ্রহণ।
ছ) সংস্কৃতি বিকাশের স্বার্থে যে কোন বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, প্রতিযোগিতা এবং জাতীয়ভিত্তিক যে কোন অনুষ্ঠান আয়োজন।
৩। পরিভাষা :
ক) ক্লাব অর্থে : অন্য কোথাও যাহাই বর্ণিত হউক না কেন করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাবকে বুঝাইবে।
খ) কার্যালয় অর্থে : ক্লাবের নিজস্ব কার্যালয় বুঝাইবে।
গ) সদস্য অর্থে : সদস্য বলিতে ক্লাবের তালিকাভুক্ত আজীবন ও মাসিক চাঁদা দানকারী উভয় প্রকারের সদস্যকে বুঝাইবে। এই সংশোধনী গৃহীত হইবার পর কাহাকেও মাসিক চাঁদা প্রদানকারী সদস্য হিসাবে ভর্তি করা হইবে না। যাহারা নতুন সদস্য হিসাবে ভর্তি হইবে তাহাদেরকে আজীবন সদস্য হিসাবে ভর্তি করা হইবে।
এখানে উল্লেখ থাকে যে, মাসিক চাঁদা প্রদানকারী সদস্যগণ ইচ্ছা করিলে এককালীন ১০ (দশ) হাজার টাকা ক্লাবের তহবিলে প্রদানপূর্বক আজীবন সদস্য হইতে পারিবে।
ঘ) কার্যনির্বাহী পরিষদ অর্থে : কার্যনির্বাহী পরিষদ বলিতে ক্লাব সদস্যগণ কর্তৃক সাধারণ সভায় নির্দিষ্ট মেয়াদে নির্বাচিত কমিটিকে বুঝাইবে।
ঙ) মেয়াদকাল অর্থে : মেয়াদকাল বলিতে ২ (দুই) বৎসর বুঝাইবে। নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের মেয়াদকাল হইবে ২ (দুই) বৎসর (২৪ মাস) এবং এই ধারার সংশোধনী গৃহীত হওয়ার তারিখ হইতে ইহা কার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে। ২০১০ সালের নির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০১১ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবত থাকিবে।
চ) নিরীক্ষক অর্থে : সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত ব্যক্তি, ব্যক্তিবর্গ বা প্রতিষ্ঠানকে (চার্টার্ড একাউন্টেন্ট বা ফার্ম) বুঝাইবে যিনি বা যাহারা ক্লাবের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিবেন।
ছ) উপ-কমিটি অর্থে : ক্লাবের কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে সাধারণ পরিষদ অথবা কার্যনির্বাহী পরিষদ যে সকল উপ-কমিটি গঠন করিবে তাহাদেরকে বুঝাইবে।
জ) নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড অর্থে : সাধারণ পরিষদ ক্লাবের যে কোন নির্বাচন পরিচালনার জন্য একজন প্রধান ও দুইজন সহকারী নির্বাচন কমিশনার দ্বারা গঠিত বোর্ডকে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড বুঝাইবে।
ঝ) সাধারণ সভা অর্থে : ক্লাবের সাধারণ সভাকে বুঝাইবে।
ঞ) বিশেষ সাধারণ সভা অর্থে : ক্লাবের বিশেষ সাধারণ সভাকে বুঝাইবে।
ট) অতিরিক্ত সাধারণ সভা অর্থে : ক্লাবের অতিরিক্ত সাধারণ সভাকে বুঝাইবে।
ঠ) সভাপতি অর্থে : ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতিকে বুঝাইবে।
ড) সহ-সভাপতি অর্থে : ক্লাবের নির্বাচিত সহ-সভাপতিকে বুঝাইবে।
ঢ) সাধারণ সম্পাদক অর্থে : সাধারণ সম্পাদককে বলতে ক্লাবের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদককে বুঝাইবে।
ণ) যুগ্ম সম্পাদক অর্থে : ক্লাবের নির্বাচিত যুগ্ম সম্পাদককে বুঝাইবে।
ত) নাট্য সম্পাদক অর্থে : ক্লাবের নির্বাচিত নাট্য সম্পাদককে বুঝাইবে।
থ) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অর্থে : ক্লাবের নির্বাচিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে বুঝাইবে।
দ) কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য অর্থে : যে সদস্যগণ বাৎসরিক নির্বাচনে ক্লাবের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন এবং ক্লাব পরিচালনার জন্য তাদের লইয়া যে পরিষদ গঠিত হয় তাহাদেরকে বুঝাইবে।
ধ) রেজিস্ট্রার বহি অর্থে : ক্লাব সদস্যদের নাম যে খাতায় লেখা থাকিবে তাহাকে বুঝাইবে।
ন) অর্থ রেজিস্ট্রার বহি অর্থে : ক্লাবের প্রতিদিনের আয় ও ব্যয়ের হিসাব যে খাতায় লেখা থাকিবে সেই খাতাকে অর্থ রেজিস্ট্রার বুঝাইবে।
প) কালপঞ্জি বহি অর্থে : ক্লাবের যে সকল কাজ সম্পন্ন হইবে তাহার সার সংক্ষেপ যে খাতায় লেখা হইবে সেই খাতাকে বুঝাইবে।
ফ) মাস অর্থে : ইংরেজি সনের পঞ্জিকা মাসকে বুঝাইবে।
ব) বৎসর অর্থে : ১ জানুয়ারি হইতে ৩১ ডিসেম্বরকে বুঝাইবে।
ভ) কল্যাণ তহবিল অর্থে : কল্যাণ তহবিলে বর্ণিত সদস্যদের ওয়ারিশ তাহার স্ত্রী ও সকল নির্ভরশীল সন্তান, পিতা-মাতা, সন্তানদের লেখাপড়া, চিকিৎসা ও বিবাহ ইত্যাদি বুঝাইবে।
৪। সদস্য :
সদস্যপদ লাভের যোগ্যতা :
স্কুল-কলেজের ছাত্র নহেন এমন যে কোন ২৫ বা তদুর্ধ বয়স্ক নাট্যানুরাগী, নৈতিকতা সম্পন্ন শিক্ষানুরাগী, বিদ্যোৎসাহী, সংস্কৃতিমনা, সংগীত, নৃত্য, চিত্র ও চারুকলা শিল্পী এবং বাংলাদেশী নাগরিক ক্লাবের আদর্শ, উদ্দেশ্য ও গঠনতন্ত্রের নিয়মাবলী মানিয়া চলিবার শর্তে এই ক্লাবের সাধারণ সদস্যপদ লাভের যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
ক) কোন সদস্যের মৃত্যু হইলে সেই শূন্য পদে মৃত ব্যক্তির সন্তান ক্লাব সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন করিলে কর্তৃপক্ষের বিশেষ বিবেচনায় যোগ্য বিবেচিত হইলে অগ্রাধিকার পাইবে।
খ) কোন সদস্য স্বেচ্ছায় বা অনিবার্য কারণে নিজ সদস্যপদ ত্যাগ করিয়া তাহার সন্তানের অনুকূলে উক্ত সদস্যপদ প্রদানের আবেদন করিলে ক্লাব কর্তৃপক্ষের বিবেচনা সাপেক্ষে সদস্যপদ প্রদান করা যাইতে পারে।
সদস্য সংখ্যা :
ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন হইবে।
সদস্যদের ভর্তি ফি ও চাঁদা :
সদস্য পদে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে এককালীন ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা পরিশোধপূর্বক আজীবন সদস্যপদ লাভ করিতে পারিবেন। তবে কোন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করিলে তদস্থলে উক্ত সদস্যের কোন যোগ্য পুত্র ক্লাবের সদস্যপদ লাভ করিতে চাহিলে বিশেষ বিবেচনায় ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা প্রদানপূর্বক আজীবন সদস্যপদ গ্রহণ করিতে পারিবেন।
৫। সদস্যপদ বাতিল :
নিম্নবর্ণিত যে কোন কারণে ক্লাবের যে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল বলিয়া গণ্য হইবেঃ
ক) কোন সদস্য ক্লাবের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট লিখিতভাবে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ পত্র দাখিল করিলে এবং উহা গৃহীত হইলে।
খ) কোন সদস্যর মৃত্যু ঘটিলে।
গ) কোন সাধারণ সদস্য উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে পরপর ৩ (তিন) টি বার্ষিক সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকিলে।
ঘ) কোন সদস্য বাংলাদেশ ছাড়িয়া স্থায়ীভাবে অন্য দেশে চলিয়া গেলে এবং কোন কারণে তাহার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বাতিল হইলে।
ঙ) কোন সদস্য একাধিক্রমে ৬ (ছয়) মাস ক্লাবের চাঁদা পরিশোধে ব্যর্থ হইলে এবং তাহাকে বকেয়া চাঁদা পরিশোধের জন্য লিখিতভাবে নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও উক্ত নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিন সময়ের মধ্যে সাকুল্য চাঁদা পরিশোধে ব্যর্থ হইলে।
চ) কোন সদস্য নৈতিক স্খলন জনিত কারণে আদালত কর্তৃক দুই বা ততোধিক বৎসরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হইলে।
ছ) ক্লাবের গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলীতে বর্ণিত আদর্শ ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী কোন কার্য করিলে বা ক্লাবের স্বার্থ, সুনাম ও সংহতি বিরোধী কর্মতৎপরতায় লিপ্ত হইলে, ক্লাবের আভ্যন্তরীণ নিয়ম-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করিলে সদস্যপদ বাতিল করা যাইবে। ‘খ’ ধারা বাদে অন্য সকল ধারার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত সদস্যকে ৩০ দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ ডাকযোগে অউ করিয়া প্রেরন করিতে হইবে। ৩০ দিনের মধ্যে উত্তর না দিলে বা উত্তর সন্তোষজনক না হইলে কার্যকরী পরিষদের সভায় তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
৬। সদস্যপদ বাতিলের বিরুদ্ধে আপীল :
৫ নং ধারার ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ উপ-ধারায় বর্ণিত বিধি-বিধান অনুযায়ী কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সিদ্ধান্তক্রমে কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হইলে সংশ্লিষ্ট সদস্য বাতিলপত্র পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে পরবর্তী বাৎসরিক সাধারণ সভায় লিখিত আপীল করিতে পারিবেন। ১৫ দিনের মধ্যে আপীল না করিলে তিনি আপীল করিবার যোগ্যতা হারাইবেন। বাৎসরিক সাধারণ সভায় উক্ত আবেদন আলোচ্য সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করিতে হইবে এবং এই বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পর সভায় উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্ত অনুসারে সদস্যপদ লাভের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং বাতিল সদস্যের জায়গায় আপীল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন সদস্যকে স্থলাভিষিক্ত করা যাইবে না। সদস্যপদ বাতিলকৃত সদস্যকে পুনরায় সদস্যপদ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হইলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে উহা লিখিতভাবে জানানোর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে বকেয়া কোন চাঁদা থাকিলে উহা পরিশোধ করতঃ সদস্যপদ লাভ করিতে হইবে। অন্যথায় তিনি পুনরায় সদস্যপদ লাভের অযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
৭। বাৎসরিক সাধারণ সভা :
ক) প্রথম বাৎসরিক সভা :
কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রথম বৎসর কালে ক্লাবের সকল প্রকার আয়-ব্যয়সহ অন্যান যে সমস্ত কার্যাবলী সম্পাদন ও পরিচালিত হইয়াছে তাহা কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যালোচনান্তে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে উক্ত বৎসরের ডিসেম্বর মাসের পরিবর্তে পরবর্তী বৎসরের জানুয়ারি মাসের মধ্যে কমপক্ষে ১৫ (পনের) দিনের সময় দিয়া নোটিশ প্রদানে প্রথম বাৎসরিক সাধারণ সভা আহ্বান করিয়া উক্ত সভায় উহা অনুমোদন করাইয়া লইতে হইবে।
১। প্রথম বাৎসরিক সাধারণ সভায় ক্লাবের মোট সদস্য সংখ্যার এক চতুর্থাংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে। সভার প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য উপস্থিত না হইলে সভা মুলতবি হইয়া যাইবে। মুলতবি সভা ৭ (সাত) দিন পর একই বারে, একই সময়ে, একই স্থানে ও একই এজেন্ডার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হইবে। মুলতবি সভার জন্য নোটিশ প্রদান করিতে হইবে না এবং সভার জন্য কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
২। প্রথম বাৎসরিক সভার এজেন্ডা বা কর্মসূচি :
১। সাধারণ সম্পাদকের প্রথম বৎসরের কার্যকালের প্রতিবেদন পেশ, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
২। প্রথম বৎসরের আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ;
৩। প্রথম বাৎসরিক সভার জন্য ভোজ বা ভোজের পরিবর্তে আনুতোষিক প্রদান।
৪। বিবিধ।
খ) দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা :
কার্যনির্বাহী পরিষদের ২ (দুই) বৎসর কালের মেয়াদ শেষ হইবার পূর্বে কমপক্ষে ২১ (একুশ) দিন সময় দিয়া ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার দিন, তারিখ, সময়, স্থান ও নির্দিষ্ট এজেন্ডা বা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করিয়া দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান করিতে হইবে। সভার লিখিত নোটিশ সদস্যদেরকে ডাকযোগে অথবা বার্তাবাহক দ্বারা প্রেরণের ব্যবস্থা অবশ্যই করিতে হইবে।
দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভার এজেন্ডা বা কর্মসূচি :
১। সাধারণ সম্পাদকের দ্বিতীয় বৎসরের জানুয়ারি মাস হইতে নভেম্বর মাস পর্যন্ত কার্যকালের প্রতিবেদন ও আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
২। ২ (দুই) বৎসরের জন্য হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ এবং অডিটরের পারিশ্রমিক নির্ধারণ।
৩। নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড গঠন এবং তাহাদের সম্মানী নির্ধারণ।
৪। ২য় বছরের বাৎসরিক ভোজ অথবা ভোজের পরিবর্তে তাহাদের আনুতোষিক প্রদান।
৫। নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য নিয়োগ এবং তাহাদের সম্মানী নির্ধারণ।
৬। দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা দুই পর্বে বিভক্ত হইবে। ১ম পর্ব ও ২য় পর্ব। ১ম পর্ব সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হইবার পর ৭ (সাত) দিনের ব্যবধানে ২য় পর্বে দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
৭। বিবিধ।
১ম পর্বের আলোচ্যসূচি :
১। সম্পাদকের ১১ (এগার) মাসের প্রতিবেদন পেশ, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
২। ক্লাবের ১১ (এগার) মাসের অডিটকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব পেশ, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
৩। হিসাব নিরীক্ষক নিয়োগ এবং তাহাদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ।
৪। নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের সদস্য নিয়োগ এবং তাহাদের সম্মানী নির্ধারণ।
৫। বাৎসরিক ভোজ অথবা ভোজের পরিবর্তে আনুতোষিক প্রদান।
৬। বিবিধ।
২য় পর্ব :
পরবর্তী ২ (দুই) বৎসরের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের ৮ (আট) জন কর্মকর্তা এবং ১৩ (তের) জন নির্বাহী সদস্যসহ মোট ২১ (একুশ) জনের নির্বাচন অনুষ্ঠান।
৮। অতিরিক্ত সাধারণ সভা :
অতিরিক্ত সাধারণ সভার কাজ হইবে— গঠনতন্ত্র সংশোধন, বিগত কার্যনির্বাহী পরিষদের ডিসেম্বর মাসের হিসাব বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং যে বিষয়গুলি কার্যনির্বাহী পরিষদে সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন নয় সেই সকল বিষয়াদি অতিরিক্ত সাধারণ সভা ডাকিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাইবে। কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন সময় দিয়া এই সভা ডাকিতে হইবে।
ক) (১) কার্যনির্বাহী পরিষদ দায়িত্বভার গ্রহণের পর সাধারণ সম্পাদক তাহাদের প্রথম বৎসরের কার্যকালের জন্য সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের খসড়া বাজেট প্রণয়ন করিবেন এবং উহা কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে ৩০ (ত্রিশ) দিন সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত সাধারণ সভা আহ্বান করিয়া উক্ত সভায় উহা অনুমোদন করিয়া লাইতে হইবে।
ক) (২) সাধারণ সম্পাদক সাহেব কার্যনির্বাহী পরিষদের দ্বিতীয় বৎসরের শুরুতে জানুয়ারি মাসের মধ্যে ক্লাবের দ্বিতীয় বৎসরের আয়-ব্যয়ের খসড়া বাজেট প্রণয়ন করিয়া উহা কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অতিরিক্ত সাধারণ সভা আহ্বান করিয়া উহা অনুমোদন করাইয়া লইবেন।
খ) অতিরিক্ত সাধারণ সভার জন্য অন্তত ৭ (সাত) দিন পূর্বে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করিতে হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কোন জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ সম্পাদক ২৪ ঘন্টারর নোটিশেও অতিরিক্ত সাধারণ সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।
গ) সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতি বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে প্রয়োজনবোধে সভাপতি অতিরিক্ত সাধারণ সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।
ঘ) ক্লাবের মোট সদস্য সংখ্যার এক চতুর্থাংশ সদস্যের উপস্থিতিতে অতিরিক্ত সাধারণ সভার কোরাম গঠিত হইবে এবং উক্ত সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে। সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোন বিষয়ের উপর সদস্যদের ভোট সমান সংখ্যক হইলে বিষয়টি মীমাংসা করিতে সভাপতি কাস্টিং ভোট প্রদান করিতে পারিবেন অথবা লটারির মাধ্যমে মীমাংসা করিতে পারিবেন।
৯। তলবী বা অধিযাচন সভা :
তলবী বা অধিযাচন সভার কাজ হইবে যে, সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রীয় বা ধর্মীয় কারণ ব্যতীত যথাসময়ে নির্বাচন ঘোষণা না দিলে বা কোন কারণবশত ক্লাবের অচল অবস্থা সৃষ্টি হইলে বা কতিপয় সদস্য একত্র হইয়া কোন বিষয়ের উপর সভা ডাকার জন্য সভাপতি ও সম্পাদককে অনুরোধ পত্র প্রদান করিলে তাহারা যদি ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সভা আহ্বান করিতে ব্যর্থ হয় সেই ক্ষেত্রে অধিাযাচনকারীগণ ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদান করিয়া তলবী সভা ডাকিতে পারিবেন। তলবী সভায় ক্লাবের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে এবং উপস্থিত মোট সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে। কোরাম না হইলে সভাটি বাতিল হইবে। আর যদি সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক দাবীকৃত বিষয়বস্তু এজেন্ডাভুক্ত করিয়া সভা আহ্বান করেন সেই সভা না হইয়া অতিরিক্ত সাধারণ সভা হইয়া যাইবে। তখন অতিরিক্ত সভার সকল নিয়ম-কানুন অনুসরণ করিতে হইবে।
১০। বিশেষ সাধারণ সভা :
কোন বিষয়ে ক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সহিত পারস্পরিক মতবিরোধ বা মত পার্থক্য দেখা দিলে এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় ন্যূনতম এক-চতুর্থাংশ সদস্যের ভোটে উহা মীমাংসিত না হইলে, ক্লাবের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক উক্ত বিরোধ বা মত পার্থক্যজনিত জটিল পরিস্থিতির মোকাবেলায় বিশেষ সাধারণ সভা ৭ (সাত) দিনের নোটিশে আহ্বান করতে পারিবেন। এইরূপ বিশেষ সাধারণ সভার ক্ষেত্রে ক্লাবের মোট সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে এবং উক্ত সভায় উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে।
১১। কার্যনির্বাহী পরিষদ :
যে সকল সদস্য সাধারণ সদস্যদের দ্বারা বাৎসরিক সাধারণ সভায় নির্বাচিত হইয়া ক্লাবের সাধারণ কাজকর্মের ভার গ্রহণ করিবেন এবং ক্লাবকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করিবেন, তাহাদের লইয়া যে পরিষদ গঠিত হইবে তাহাই কার্যনির্বাহী পরিষদ বলিয়া অভিহিত হইবে।
নির্বাচিত পরিষদের পরিচিতি :
* সভাপতি – ১ (এক) জন
* সহ-সভাপতি – ২ (দুই) জন
* সাধারণ সম্পাদক – ১ (এক) জন
* যুগ্ম-সম্পাদক – ২ (দুই) জন
* নাট্য সম্পাদক – ১ (এক) জন
* সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক – ১ (এক) জন
* নির্বাহী পরিষদ সদস্য – ১৩ (তের) জন
মোট ২১ (একুশ) জন
ক) এই ২১ জন সদস্যের মধ্যে ৮ (আট) জন কর্মকর্তা এবং ১৩ (তের) জন নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের লইয়া ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হইবে।
খ) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল হইবে ২ (দুই) বৎসর। এই সময়কাল ১ জানুয়ারি হইতে শুরু হইয়া ৩১ ডিসেম্বর শেষ হইবে।
১২। কার্যনির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা :
কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল হইবে ২ (দুই) বৎসর (২৪ মাস)। এই সময়কাল প্রথম বর্ষের ১ জানুয়ারি হইতে শুরু করিয়া পরবর্তী বৎসরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বুঝাইবে।
ক) ক্লাবের সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক, নাট্য সম্পাদক/ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকসহ নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যগণ বাৎসরিক কার্যকাল শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাহাদের কার্যকাল আপনা আপনি শেষ হইয়াছে বলিয়া গণ্য করা হইবে। কিন্তু কার্যনির্বাহী পরিষদ কোন উপ-পরিষদ গঠন করিয়া থাকিলে বা কোন প্রতিনিধি প্রেরণ করিলে তাহাদের কাজ শেষ না হইলে তাহারা অবসরপ্রাপ্ত হইয়াছেন বুঝাইবে না।
খ) বাৎসরিক সাধারণ সভায় সাধারণ সদস্যদের দ্বারা কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবে। সংখ্যাধিক্য ভোটের ভিত্তিতে প্রতিটি পদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হইবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে অধিক বয়সের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হইবে।
গ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা স্বাভাবিকভাবে তিন দিনের মধ্যে, জরুরিভাবে এক দিন বা ২৪ ঘন্টার নোটিশে অনুষ্ঠিত হইবে। সাধারণভাবে মাসে অন্তত একবার করিয়া নির্বাহী পরিষদের সভা ডাকিতে হইবে।
ঘ) বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব বাৎসরিক সাধারণ সভায় যাওয়ার পূর্বে কার্যনির্বাহী পরিষদে পেশ করিতে হইবে এবং অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।
ঙ) কার্যনির্বাহী সভায় উত্থাপিত প্রতিটি আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে। সমান সংখ্যক ভোট হইলে সভাপতি লটারি বা কাস্টিং ভোট প্রদান করিয়া বিষয়টি মীমাংসা করিতে পারিবেন।
চ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় যে প্রস্তাব গৃহীত হইবে উহা প্রয়োজনে কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় ততোধিক সমর্থনে বাতিল করা যাইবে। তবে গৃহীত প্রস্তাব অনুসারে কোন কার্যানুষ্ঠিত হইলে উহা বৈধ বলিয়া গণ্য হইবে।
ছ) মৃত্যু/ইন্তেকাল, মস্তিষ্ক বিকৃতি, সেচ্ছায় পদত্যাগসহ অন্যান্য কারণে কার্যনির্বাহী পরিষদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদ সেই স্থলে অন্য যে কোন সদস্যকে কো-অপ্ট করিয়া লইতে পারিবে। সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বা পদ্ধতি প্রযোজ্য হইবে না। উক্ত ক্ষেত্রে ক্রমিকমান অনুসারে সহ-সভাপতি প্রথমজন সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন। তদ্রুপ সাধারণ সম্পাদকের ক্ষেত্রে ক্রমিকমান অনুসারে প্রথমজন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন।
জ) মোট সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ সভার কোরাম গঠিত হইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ সভার সিদ্ধান্ত উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গৃহীত হইবে। কোন কারণে উভয় পক্ষে সমান সংখ্যক ভোট প্রাপ্ত হইলে সভাপতি লটারি বা কাস্টিং ভোট প্রদানের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিবেন।
ঝ) কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক সকল প্রকার আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ ও বাজেট প্রণয়ন করিবেন।
ঞ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে/সভায় সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের সকল কর্মচারী নিয়োগ, তাহাদের বেতন, ভাতা, চাকুরির শর্ত নির্ধারণ ও প্রয়োজনবোধে বরখাস্তকরণসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।
ট) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ২১ দিন পূর্বে সাধারণ সম্পাদক দিন, তারিখ, নির্দিষ্ট স্থান ও আলোচ্যসূচি উল্লেখ করিয়া বাৎসরিক সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তি প্রচারের ব্যবস্থা করিবেন।
ঠ) গঠনতন্ত্রের বিধান অনুসরণ করিয়া যে কোন নতুন সদস্য ভর্তি করা, যে কোন সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বা কোন সদস্যের সদস্যপদ বাতিল ঘোষণা করিবার ক্ষমতা কার্যনির্বাহী পরিষদের এক্তিয়ারভুক্ত।
ড) কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্লাবের গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলীর বিধান অনুযায়ী ক্লাবের যাবতীয় কার্য পরিচালনা ও সম্পাদন বা উন্নয়নমূলক প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কার্যক্রম গ্রহণসহ ক্লাবের স্বার্থে যে কোন চুক্তিপত্র সম্পাদন, ক্লাবের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও তদসংক্রান্ত দলিলাদি হেফাজত ও রক্ষণাবেক্ষণ করিবেন। ক্লাবের প্রয়োজনে আসবাবপত্র তৈরি, ক্লাবের বিভিন্ন জিনিষপত্রাদি ক্রয় এবং জীর্ণ, পুরাতন, অব্যবহৃত প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করিতে পারিবেন। নাটক, সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠান ও চিত্ত বিনোদনমূলক ক্রিয়াকাণ্ড ও আভ্যন্তরীণ খেলাধুলার ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
১৩। কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ও অন্যান্য সভা :
ক) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা সাধারণত মাসে একবার হইবে। সভার আলোচ্যসূচি উল্লেখ করিয়া ৩ দিন পূর্বে নোটিশের মাধ্যমে জানাইয়া সভা ডাকিতে হইবে।
খ) ক্লাবের প্রয়োজনে একদিন বা ২৪ ঘন্টা পূর্বে নোটিশ প্রদান করিয়া সভা ডাকিতে পারিবে।
গ) সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম-সম্পাদকদ্বয় (প্রথম) ও (দ্বিতীয়) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা, অতিরিক্ত সাধারণ সভা, বিশেষ সাধারণ সভা ডাকিতে পারিবেন। অধিযাচন সভা ডাকার জন্য গঠনতন্ত্রে ‘৯ নং’ ধারা অনুসরণ করিতে হইবে।
ঘ) অধিযাচন সভা ব্যতিরেকে সকল প্রকার সভায় এক ঘন্টার মধ্যে কোরাম গঠিত না হইলে সভা মুলতবি হইয়া যাইবে। মুলতবি সভা ৭ (সাত) দিন পরে একই স্থানে, একই বারে, একই সময়ে ও একই এজেন্ডাসহ অনুষ্ঠিত হইবে। মুলতবি সভার জন্য কোন প্রকার নোটিশ ও কোরামের প্রয়োজন হইবে না, যদি সভাপতি অন্য কোন তারিখ ঘোষণা না করেন।
ঙ) বাৎসরিক সাধারণ সভা, বিশেষ সাধারণ সভা, তলবী সভা ও নির্বাহী পরিষদ সভা ব্যতীত আর সকল সাধারণ সভাকেই অতিরিক্ত সাধারণ সভা বলিয়া অভিহিত করিতে হইবে।
চ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা এক তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম (গণপূর্তি) গঠিত হইবে। সভার নির্ধারিত সময়ের ১ ঘন্টার মধ্যে কোরাম গঠন না হইলে সভার কোন কার্যই সম্পাদিত হইবে না। সেই ক্ষেত্রে সভাটি মুলতবি হইয়া যাইবে এবং মুলতবি সভার নিয়ম অনুসারে সবা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হইবে।
ছ) ডাক গোলযোগের জন্য বা অন্য কোন কা ণে সদস্য বিজ্ঞপ্তি না পাইলে সভার কার্যাবলী অশুদ্ধ বা বাতিল হইবে না। তবে নোটিশ পাঠানোর প্রমাণ রাখিতে হইবে।
১৪। বিজ্ঞপ্তি বা নোটিশ :
ক) বিজ্ঞপ্তি সাধারণত ডাকযোগে বা পিয়নবুক মারফত সদস্যদের নিবন্ধনভুক্ত বা রেজিস্ট্রিকৃত ঠিকানায় পাঠাইতে হইবে।
খ) সদস্যের স্বাক্ষর পিয়নবুকে রাখিয়া চিঠিপত্রাদি বিলি বন্টন করা যাইবে এবং ডাকযোগের তারিখ চিঠিপত্রের খাতায় সংরক্ষণ করিতে হইবে। অর্থাৎ চিঠিপত্র পাঠানোর প্রমাণ রাখিতে হইবে।
গ) ডাকযোগে প্রচারিত বা প্রেরিত কোন বিজ্ঞপ্তি বা অন্য কোন দলিলপত্রাদি ডাকে দেওয়ার সময়কে প্রচার বা বিলি করার সময় বলিয়া মনে করিতে হইবে। প্রচার বা প্রেরণের কাজ সঠিকভাবে হইল কি-না তাহা নিশ্চিত করার জন্য এই প্রমাণই যথেষ্ট যে বিজ্ঞপ্তি বা দলিল বহনকারী চিঠিখানা সঠিক ঠিকানায় তাহার প্রমাণ রাখা বা প্রিপিইড চিঠি হিসাবে পোস্ট করা।
ঘ) ক্লাব কর্তৃক যে সকল নোটিশ বা দলিলপত্রাদি প্রচার করা হইবে, তাহাতে প্রয়োজন অনুসারে সম্পাদক বা সভাপতির লিখিত বা ছাপানো স্বাক্ষর থাকিতে হইবে।
ঙ) কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে যে কোন পদ্ধতিতে বিজ্ঞপ্তি বা নোটিশ বা বিজ্ঞাপন প্রচার করিতে পারা যাইবে।
১৫। কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা ও কার্যকাল :
সভাপতি
ক) সভাপতি ক্লাবের নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হিসাবে গঠনতন্ত্রের পবিত্রতা বজায় রাখিবেন। ক্লাবের আভ্যন্তরীণ নিয়মশৃঙ্খলা রক্ষা করিবেন। সভাপতি বাৎসরিক সাধারণ সভা, অতিরিক্ত সাধারণ সভা, বিশেষ সাধারণ সভা ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন। তিনি তাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সকল সভার কার্যবিবরণীতে ও সিদ্ধান্তে অনুমোদন, স্বাক্ষর প্রদান করিবেন। সভাপতি প্রয়োজন বোধে সাধারণ সম্পাদককে যে কোন সভা আহ্বারন করিবার উপদেশ দিতে পারিবেন এবং সাধারণ সম্পাদক সভা আহ্বানে ব্যর্থ হইলে সভাপতি নিজেই উক্ত সভা আহ্বান করিতে পারিবেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি (ক্রমক মান অনুসারে) প্রথমজন সভাপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।
খ) সভাপতি ক্লাবের সকল সভার প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট গ্রহণ এবং তাহার ফলাফল ঘোষণা করিবেন। যে ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক ভোট প্রাপ্ত হইবে সেই ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট বা লটারি করিয়া বিষয়টি মীমাংসা করিতে পারিবেন।
গ) সভাপতি প্রয়োজন বোধে ক্লাবের কাজের জন্য পরিষদের অনুমতি ব্যতীত ১,০০০.০০ (এক হাজার) টাকা পর্যন্ত খরচ করিতে পারিবেন এবং খরচের হিসাব পরিষদের দ্বারা পাশ করাইয়া লইবেন।
ঘ) সভাপতি ক্লাবের পক্ষ হইতে যে কোন সংস্থায় যে কোন বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবেন।
১৬। সাধারণ সম্পাদক :
ক) সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের নির্বাহী প্রধান হিসাবে যাবতীয় কার্যাবলী নির্বাহ করিবেন এবং সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করিয়া সকল সভা ডাকিবেন।
খ) সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের পক্ষে সকল প্রকার যোগাযোগের দায়িত্বে থাকিবেন এবং ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের অতিরিক্ত সভা, বিশেষ সাধারণ সভা, তলবী সভা এবং উপ-কমিটি কর্তৃক পাঠানো সকল বিবরণ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করিবেন।
গ) তিনি ক্লাবের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দলিলাদি ও কাগজপত্র রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করিবেন। প্রয়োজনে ক্লাবের পক্ষে সকল প্রকার চুক্তিপত্র সম্পাদন করিতে পারিবেন।
ঘ) তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদের সহায়তায় ক্লাবের সার্বিক রিপোর্ট এবং উপ-কমিটিসমূহের রিপোর্ট প্রণয়ন করিবেন।
ঙ) তিনি ক্লাব কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থাদি এবং সংস্কৃতির উৎকর্ষতার লক্ষ্যে যাবতীয় পরিসংখ্যান তথ্য ও তত্ত্ব সংরক্ষণ করিবেন এবং সদস্যদের মধ্যে প্রচার করিবেন।
চ) তিনি ক্লাবের কিংবা ক্লাবের সহিত সংশ্লিষ্ট বা যে কোন ভাবে ক্লাব কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত সকল তহবিলসমূহের হিসাব রাখিবেন।
ছ) তিনি ক্লাবের সদস্যদের কিংবা কোন ব্যক্তির বা সরকারের নিকট হইতে চাঁদা, দান, অনুদান রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করিবেন এবং সকল প্রকার পাওনা আদায় করিবেন।
জ) তিনি প্রাতিষ্ঠানিক খরচ, কর্মচারীর বেতন, ক্লাবের তহবিল হইতে প্রদান করিবেন এবং দৈনন্দিন কার্য ও অফিস পরিচালনার জন্য উপনিমিত্ত খরচ (কন্টিজেন্সি) ও আনুষঙ্গিক ছোট খাট খরচাদি নির্বাহ করিবেন। এই জন্য তিনি হাতে ৫,০০০.০০ (পাঁচ হাজার) টাকা পর্যন্ত নগদ রাখিতে পারিবেন।
ঝ) তিনি কার্যনির্বাহী পরিষদ সভা এবং বিভিন্ন প্রকার সভার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিবেন এবং উপ-পরিষদের বা উপ-কমিটির সভার বিজ্ঞপ্তি প্রচার করিতে সাহায্য করিবেন।
ঞ) তিনি তাহার কার্যকালের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের রিপোর্ট প্রদান করিবেন এবং ক্লাবের উন্নয়নের বা সুনামের জন্য যে কোন নির্দেশনা দিতে পারিবেন।
ট) তিনি ক্লাবের তহবিল এবং যে কোন ভাবে ক্লাব কর্তৃক প্রাপ্ত অর্থের আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ করিবেন।
ঠ) তিনি সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে ক্লাবের পক্ষ হইতে প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবেন এবং সভাপতির সহিত সম্মিলিতভাবে ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করিতে পারিবেন। সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের সকল বিষয়ে অর্পিত দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের কাজের অগ্রগতি যাচাইপূর্বক বাজেটের টাকা প্রদান করিবেন।
ঢ) তিনি ক্লাবের দৈনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যাংক হইতে টাকা উত্তোলন করিতে পারিবেন। তবে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে সভাপতি এবং সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
ণ) যেহেতু কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল ২ (দুই) বৎসর সেহেতু সাধারণ সম্পাদক তাহার কার্যকালের প্রথম বৎসরের রিপোর্ট ও আয়-ব্যয়ের হিসাব নিকাশের স্থিতিপত্র (ব্যালেন্স শীট) প্রণয়ন করিবেন, নিযুক্ত নিরীক্ষক (অডিটর) দ্বারা অডিট করিয়া কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপন করিয়া চূড়ান্ত অনুমোদন করাইয়া লইবেন। দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ২ বৎসর মেয়াদকাল অন্তে দ্বিতীয় বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যেহেতু অনুষ্ঠান করিতে হইবে সেহেতু নভেম্বর মাস পর্যন্ত ১১ মাসের রিপোর্ট ও আয়-ব্যয়ের হিসাব নিকাশ নিযুক্ত অডিটর দ্বারা অডিট করাইয়া কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় অনুমোদনের জন্য পেশ করিয়া অনুমোদন করাইয়া লইবেন। ডিসেম্বর মাসের আয়-ব্যয় এর হিসাব পরবর্তী বৎসরের জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে অডিট করাইয়া নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদকের নিকট হস্তান্তর করিবেন। সাধারণ সম্পাদক ডিসেম্বর মাসে দৈনন্দিন জরুরি ও প্রয়োজনীয় খরচ নির্বাহ করিতে পারিবেন। নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক দায়িত্ব গ্রহণের পর হইতে একমাসের মধ্যে বাজেট প্রণয়ন করিয়া অতিরিক্ত সাধারণ সভায় পাশের জন্য উপস্থাপন করিবেন এবং ভূতপূর্ব সাধারণ সম্পাদকের একমাসের (ডিসেম্বর) দেওয়া অডিটকৃত হিসাব পাশের জন্য উপস্থাপন করিবেন।
১৭। যুগ্ম সম্পাদক :
ক) সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম সম্পাদক ক্রমিকমান অনুসারে প্রথমজন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন।
খ) যুগ্ম সম্পদকদ্বয় কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত সকল প্রকার দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন করিবেন। তাহারা সকল কাজে সাধারণ সম্পাদকের অথবা সম্পাদকের দায়িত্ব পালনরত ব্যক্তিকে সহযোগিতা করিবেন।
১৮। নাট্য সম্পাদক :
নাট্য সম্পাদক ক্লাবের বাৎসরিক নাটক অনুষ্ঠানসহ অন্যান্য নাট্য উৎসব ও প্রয়োজনবোধে বিশেষ কারণে যে কোন সময় নাট্যানুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকিবেন। এ ছাড়া তিনি নিয়মিতভাবে নাট্যচর্চা ও অনুশীলনের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। এ সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তিনি সম্পাদক সাহেবের পরামর্শক্রমে বাজেট অনুযায়ী যাবতীয় ব্যয় ও খরচাদি সম্পাদন করিবেন। প্রতিটি অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার একুশ দিনের মধ্যে এতদসংক্রান্ত খরচের সম্পূর্ণ হিসাব তিনি যথাযথ ভাউচারসহ সাধারণ সম্পাদকের নিকট দাখিল করিবেন। যাহা সাধারণ সম্পাদক পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়া পরবর্তীতে অনুমোদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করিবেন। বাজেটের অতিরিক্ত অর্থ খরচের ক্ষেত্রে তিনি সভাপতি ও সম্পাদকের সহিত আলোচনাক্রমে ব্যয় নির্বাহ করিবেন।
১৯। সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সম্পাদক :
সাহিত্য ও সংস্কৃতিক সম্পাদক গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলী ধারার ‘চ’ এ বর্ণিত যাবতীয় উৎসব উদ্যাপনসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্যাপনের দায়িত্ব পালন করিবেন। উহা ছাড়া কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক প্রয়োজনবোধে তাহার উপর অর্পিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নৃত্য ও চারুকলা সম্পর্কিত কার্যক্রম সম্পাদন করিবেন। ঐ সকল কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি অনুমোদিত বাজেট অনুযায়ী ক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে যাবতীয় ব্যয় সম্পাদন করিবেন এবং প্রতিটি অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে উক্ত খাতে ব্যয়ের হিসাব যথাযথ ভাউচারসহ সম্পাদকের নিকট দাখিল করিবেন যাহা সাধারণ সম্পাদক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া পরবর্তীতে অনুমোদনের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করিবেন। বাজেটের ধার্যকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ খরচের ক্ষেত্রে তিনি সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সহিত আলোচনাক্রমে ব্যয় নির্বাহ করিবেন।
২০। কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য :
যে সদস্য বাৎসরিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিয়া সাধারণ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে অথবা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়জুক্ত হইবেন তিনিই কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য বলিয়া পরিগণিত হইবেন।
ক) কার্যনির্বাহী পরিষদের যে ক্ষমতা আছে উহা পরিষদের সদস্যগণ ব্যবহার করিয়া ক্লাবকে গতিশীল করিবেন।
খ) সভার আলোচ্যসূচির ভিত্তিতে সদস্যগণ আলোচনা করিয়া তাহার সুচিন্তিত মতামত প্রদান করিতে পারিবেন।
গ) সদস্যগণ ক্লাবের মঙ্গল, উন্নয়ন ও খ্যাতির জন্য যে কোন প্রস্তাব উত্থাপন এবং বিরোধিতা করিতে পারিবেন।
ঘ) সদস্যগণ কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন।
ঙ) সদস্যগণ তাহাদের কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
২১। ক্লাবের তহবিল ও আয়-ব্যয়ের হিসাব :
ক) ক্লাব সদস্যদের ভর্তি ফি, চাঁদা, সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠান ও আভ্যন্তরীণ খেলাধুলা হইতে সংগৃহীত চাঁদা ও বিশেষ অনুদান প্রাপ্তির মাধ্যমে বিশেষ তহবিল গঠিত হইবে।
খ) সরকার অনুমোদিত যে কোন ব্যাংকে “করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাব টাঙ্গাইল” এই নামে হিসাব খুলিয়া ক্লাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যুক্ত স্বাক্ষরে উক্ত হিসাব পরিচালনা করিবেন। প্রয়োজনবোধে একের অধিক তবে কোনক্রমেই ৩ (তিন) এর অধিক সংখ্যক হিসাব (একাউন্ট) খোলা যাইবে না। যেমন— সাধারণ হিসাব, রিজার্ভ হিসাব ও কল্যাণ তহবিল হিসাব এই ৩ (তিন) নামে হিসাব খোলা যাইবে। রিজার্ভ হিসাব বা আপদকালীন হিসাব হইতে কোন কারণে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রস্তাব পাশ করিয়া অতিরিক্ত সাধারণ সভা ডাকিয়া অনুমোদন লওয়ার পর টাকা উত্তোলন করা যাইবে।
২২। সদস্যগণের অধিকার ও দায়ি-দায়িত্ব :
সদস্যদের পক্ষে যে সকল সুযোগ-সুবিধা, অধিকার ও দায়-দায়িত্ব এই ক্লাবে থাকিবে তাহা নিম্নে উল্লেখ করা হইল :
ক) ক্লাবের প্রত্যেক সদস্যের ক্লাব কর্তৃক প্রকাশিত সকল তথ্য জানিবার ও সংগ্রহের অধিকার থাকিবে।
খ) প্রত্যেক সদস্য সাধারণ সভা, জরুরি সভা, অতিরিক্ত সভা বা বিশেষ সাধারণ সভা, তলবী সভায় উপস্থিত থাকিতে, আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন। কিন্তু একজন সদস্য অন্য একজন সদস্যের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করিতে পারিবেন না।
গ) নির্বাহী পরিষদের অনুমতি ছাড়া কোন সদস্যই ক্লাবের হিসাবসমূহের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিতে পারিবেন না এবং ক্লাবের কার্য পরিচালনা সংক্রান্ত যে কোন গোপন তথ্য জানিবার অধিকার কোন সদস্যের থাকিবে না এবং যে কোন তথ্য প্রকাশ করা কার্যনির্বাহী পরিষদের মতে অযৌক্তিক বা অসমীচীন হইবে।
ঘ) গঠনতন্ত্রের নিয়মাবলী অনুসারে সদস্যপদ হইতে কোন সদস্যকে অপসারিত করা হইলে বা কেহ স্বেচ্ছায় বা যে কোন কারণে পদত্যাগ করিলে সে সদস্য তাহার যাবতীয় অধিকার চিরকালের জন্য হারাইবেন। সদস্যপদ পুনরায় লাভ করিবার জন্য গঠনতন্ত্রের নিয়মানুসারে আবেদন করিতে হইবে। সেই আবেদন মঞ্জুর না হওয়া পর্যন্ত ক্লাবের কোন অধিকার ভোগ করিতে পারিবেন না।
ঙ) প্রত্যক সদস্য তাহার চাঁদা পরিশোধ থাকিলে তিনি ক্লাব নির্বাচনে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন এবং তাহার ইচ্ছামত যে প্রার্থীকে খুশি ভোট দিতে পারিবেন। নির্বাচন বিধি অনুসারে যে কাউকে সমর্থন বা প্রস্তাব করিতে পারিবেন। কোন কারণবশত তিনি সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হইলে নির্বাচনের প্রার্থী ব্যতীত নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিতে পারিবেন।
চ) যে কোন সদস্য কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা ব্যতীত আর যে কোন সভায় সভাপতির অনুমতিক্রমে যে কোন প্রস্তাব বা যে কোন প্রশ্ন করিতে পারিবেন।
ছ) যে সকল সদস্য ভর্তির তারিখ হইতে তাহাদের মেয়াদকাল ১ (এক) বৎসর হইয়াছে এবং মাসিক চাঁদা পরিশোধ আছে তাহারাই কেবল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন।
জ) যে সদস্য নির্বাচিত হইয়াছেন তাহার পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কারণে সেই পদ এবং কোন কারণবশত কার্যনির্বাহী পদ খালি হইলে সে শূন্য স্থানে যে ব্যক্তি তাহার নিকটতম প্রার্থী ছিলেন তিনিই কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হইবেন। যে ক্ষেত্রে নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী থাকিবে না সেই ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদের মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তিকে শূন্যস্থলে স্থলাভিষিক্ত করিতে পারিবেন।
ঝ) সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে কেহ স্বেচ্ছায় অবসর বা ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করিলে বা মৃত্যুজনিত কারণে পদ খালি হইলে সেই পদে সহ-সভাপতি, যুগ্ম সম্পাদকের মধ্যে যিনি ভোট গণনায় সিনিয়র তিনি স্থলাভিষিক্ত হইবেন।
ঞ) কার্যনির্বাহী পরিষদের যে সকল প্রস্তাবাবলী পাশ হইবে উহা ক্লাবের সকল প্রস্তাবাবলী বলিয়া পরিগণিত হইবে। উহা বাস্তবায়নের জন্য যে কোন সদস্যের উপর দায়িত্ব অর্পিত হইলে সে উহা পালন করিতে বাধ্য থাকিবে।
ট) যে কোন সদস্য ক্লাবের নিকট হইতে তাহার প্রয়োজনে প্রশংসাপত্র লইতে পারিবেন।
ঠ) কোন ব্যক্তি ক্লাব সদস্য না হইয়া একজন ক্লাব সদস্যের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করিতে পারিবেন না। তবে অনুমতিক্রমে সীমিত সুযোগসুবিধা ভোগ করিতে পারিবেন। অনুমতির মেয়াদ শেষ হইলে তিনি ভোগের অধিকার হারাইবেন।
২৩। সদস্যগদের রেজিস্ট্রার :
ক্লাবে একটি সদস্য রেজিস্ট্রার বহি সংরক্ষণ করিতে হইবে। তাহাতে সদস্যদের নাম, ঠিকানা, তারিখ ও তাহার সংরক্ষিত পরিচয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে। অনুরূপ আর একটি রেজিস্ট্রার বহিতে সদস্যের মৃত্যুর তারিখ লিখিতে হইবে এবং সদস্যপদ খালি হইলে কী কারণে হইল তাহা উল্লেখ করিতে হইবে।
২৪। অর্থ রেজিস্ট্রার বহি :
ক্লাব পরিচালনার জন্য প্রতিদিন যে অর্থ খরচ হইবে উহা একটি মজবুত এবং টেকসই খাতার মধ্যে লিখিতে হইবে। লিখিত হিসাবগুলি কাটাকাটি ব্যতীত স্বচ্ছ ও পরিস্কার হইবে। কোন কারণবশত কাটাকাটি হইলে তদস্থলে সাধারণ সম্পাদকের/লেখকের প্রতিস্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে। তারিখ, ভাউচার নং এবং সম্ভব হইলে কী কারণে খরচ হইয়াছে তাহার বর্ণনাসহ খাতায় লিখিতে হইবে।
২৫। কালপঞ্জী :
ক্লাবের যে সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সিম্পেজিয়াম, নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের নাম এবং যে সকল কার্যাবলী উল্লেখযোগ্য তাহার সারসংক্ষেপ একটি টেকসই ও মনোরম খাতার মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
২৬। বর্ষকাল (সেশন) :
নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের সময়কাল হইতে দায়িত্বের বয়স ২৪ মাস অর্থাৎ ২ (দুই) বৎসর হইলে সেই বয়সই বর্ষকাল। করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাবের বর্ষকাল হইবে ১ জানুয়ারি হইতে পরবর্তী বৎসরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে অনিবার্য কারণে বর্ষকাল কম-বেশি হইতে পারে। মূলকথা একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দায়িত্ব গ্রহণ করিবার পর হইতে অপর নির্বাচন অনুষ্ঠানের ফল ঘোষণার কালকে বর্ষকাল বুঝাইবে।
২৭। নিয়ম শৃঙ্খলা :
ক) ক্লাব সদস্যগণ কার্যনির্বাহী পরিষদের সভার সিদ্ধান্তসহ সকল প্রকার সভার সিদ্ধান্তসমূহ ও এতদসম্পর্কিত ক্লাবের নির্বাহী কর্তৃপক্ষের (নির্বাহী কর্তৃপক্ষ বলিতে ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ বা কোন নির্বাচিত কর্মকর্তাকে বুঝাইবে) সকল নির্দেশাবলী মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবেন।
খ) যদি কোন সদস্য সভার সিদ্ধান্ত বা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের নির্দেশাবলী অমান্য করিয়া ব্যক্তিগত পর্যায়ে উহার বিরেুদ্ধে কোন বিদ্বেষ বা বিক্ষোভমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন বা ক্লাব সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার মাধ্যমে কোন প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি করেন বা ঐরূপ কার্য দ্বারা ক্লাব সদস্যদের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক হৃদ্যতা, সখ্যতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করিতে তৎপর হন, উক্ত সদস্যের এইরূপ কার্যকলাপ, ক্লাবের স্বার্থ, সুনাম ও সংহতি বিরোধী তৎপরতা বলিয়া বিবেচিত হইবে।
গ) কোন সদস্য ক্লাব গৃহে বা উহার অঙ্গনে বা চত্বরে কোনরূপ নৈতিকতা বিরোধী বা অসামাজিক ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করিলে বা দেশের প্রচলিত আইন বিরোধী কোন কার্য করিলে বা ক্লাব সদস্যদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির সহায়ক কোন অসদাচরণ করিলে বা ঝগড়া বিবাদের লিপ্ত হইলে উক্ত সদস্যের আংশিক বা সকল কার্যকলাপ ক্লাবের আভ্যন্তরীণ নিয়ম শৃঙ্খলা বিরোধী কার্যাবলী বলিয়া গণ্য হইবে।
ঘ) সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য প্রতিযোগিতামূলক কোন নাট্যোৎসব বা সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে যেখানে অত্র ক্লাব সরাসরি অংশগ্রহণ করিবে ঐরূপ ক্ষেত্রে ক্লাবের কোন সদস্য ক্লাবের পক্ষে অংশগ্রহণ না করিয়া উক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার পক্ষে ক্লাবের নির্বাহী পরিষদ বা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ব্যতীত অংশগ্রহণ করে বা কোনরূপ সহায়ক ভূমিকা পালন করে তবে উক্ত সদস্যের ঐরূপ সকল কার্যকলাপ ক্লাবের শৃঙ্খলা ভঙ্গ বলিয়া বিবেচিত হইবে।
ঙ) ক্লাবের কোন গ্রন্থ বা বহি বা অস্থাবর সম্পত্তি কোন সদস্য তাহার প্রয়োজনে গ্রহণ করিলে এবং তাহা ২১ দিনের মধ্যে ফেরত প্রদানে ব্যর্থ হইলে উক্ত সদস্যের নিকট হইতে গ্রন্থ বা বহি বা অস্থাবর সম্পত্তির মূল্যের দ্বিগুণ টাকা কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে আদায় করা যাইবে।
চ) উপরোক্ত ক, খ, গ, ঘ, ঙ উপ-ধারায় বর্ণিত যে কোন কারণে বা ক্লাবের আদর্শ, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলী পরিপন্থি কোনরূপ কার্য করিলে যে কোন সদস্যের বিরুদ্ধে অত্র গঠনতন্ত্রের ৫ এর ‘ছ’ উপ-ধারার বিধান মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
২৮। নির্বাচন :
ক) ক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য কার্যনির্বাহী পরিষদ পূর্ববর্তী বাৎসরিক সভায় গঠিত নির্বাচন বোর্ডের নিকট নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করিবেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ২১ (একুশ) দিন পূর্বেই নির্বাচন বোর্ডের কমিশনারকে অবহিত করিতে হইবে। নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বা তফসিল ঘোষণা করিবেন এবং যাবতীয় কাগজপত্রাদি এবং বিধি বিধান তৈয়ার করিবেন।
খ) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন ঘোষণার পূর্বমাস পর্যন্ত যে সকল সদস্যের চাঁদা বাকি আছে তাহাদিগকে চাঁদা পরিশোধের নোটিশ প্রদান করিবেন এবং চাঁদা পরিশোধিত সদস্যের নাম ভোটার তালিকাভুক্ত করণের জন্য নির্বাচন কমিশনারের নিকট প্রদান করিবেন।
গ) যে সদস্যের মেয়াদকাল এক বৎসর হইয়াছে এবং তাহার চাঁদা নভেম্বর মাস পর্যন্ত পরিশোধ আছে তিনি নির্বাচনে যে কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন।
ঘ) ভোটার তালিকা প্রকাশ ও চূড়ান্ত করার পূর্বে উহা ১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রস্তুত করিয়া সদস্যদেরকে তিন দিন সময় প্রদানে আপত্তি শুনানির সুযোগ দিয়া ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করিবেন। প্রদত্ত তিন দিন সময়ের মধ্যে কোন সদস্য বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করিয়া ভোটার হইতে পারিবেন। উক্ত সময় অতিক্রান্ত হইয়া গেলে ভোটার তালিকাভুক্ত হন নাই এ সম্পর্কে কেহ কোন প্রকার আপত্তি উত্থাপন করিতে পারিবেন না, করিলেও আইনের আমলে আসিবে না। কর্মকর্তা পদে ও সদস্যপদের প্রতিটি মনোনয়ন পত্রের মূল্য নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড নির্ধারণ করিবেন।
ঙ) নির্বাচন কমিশনার কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা বা সদস্য হইতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের নিকট হইতে নির্বাচনের তারিখের অন্তত ১৫ দিন পূর্বে মনোনয়ন পত্র আহ্বান করিবেন। ভোটার তালিকাভুক্ত কোন সদস্য একাধিক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন না। যদি কেহ করেন তবে তাহার সকল মনোনয়ন পত্র বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। নির্বাচন কমিশনের কোন সদস্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন না।
চ) প্রতিটি ভোটার প্রতিটি মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাব বা সমর্থন করিতে পারিবেন। তবে যে মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাবক সেই মনোনয়ন পত্রে সমর্থক হইতে পারিবেন না। একজন ভোটার ৮ জন কর্মকর্তা এবং ১৩ জন সদস্য পদে মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাবক বা সমর্থক হইতে পারিবেন অর্থাৎ একই প্রার্থীর প্রস্তাবক হইলে সমর্থক হইতে পারিবেন না। যে প্রার্থী পদে উভয়টি ঘটিবে সেই মনোনয়ন পত্র বাতিল হইয়া যাইবে।
ছ) নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড মনোনয়ন পত্র দাখিলের তিন দিনের মধ্যে বাছাই কার্য সম্পাদন করিবেন এবং ফলাফল বাছাই করিয়া সঙ্গে সঙ্গে ক্লাবের নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গাইয়া দিবেন। যে কোন ক্ষুব্ধ প্রার্থী ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড সমীপে ২০০.০০ (দুইশত) টাকা ফি প্রদানে আপীল করিতে পারিবেন। উক্ত ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
জ) মনোনয়ন পত্র বাছাই পর্ব অনুষ্ঠানের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে যে কোন প্রার্থী তাহার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করিতে পারিবেন। মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পর ১২ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করিয়া নোটিশ বোর্ডে টাঙ্গাইয়া দিবেন।
ঝ) মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের সময় উত্তীর্ণ হইবার পর যদি কোন পদে প্রার্থীর সংখ্যা নির্ধারিত পদের সংখ্যার সমান হয় তাহা হইলে ঐ সকল পদের প্রার্থী বা প্রার্থীদেরকে নির্বাচিত বলিয়া ঘোষণা করা হইবে। যদি মনোনয়ন পত্র দাখিলকৃত প্রার্থীর সংখ্যা কোন পদের চাইতে অধিক সংখ্যক হয় তাহা হইলে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করিতে হইবে। সকল প্রতিদ্বন্দ্বিতার (প্রার্থীদের) নাম বাংলা বর্ণমালার ক্রমভিত্তিক ব্যালট পেপার মুদ্রণ করিতে হইবে এবং ভোটার তালিকাভুক্ত সদস্যগণ কর্তৃক তাহাদের পছন্দকৃত প্রার্থীর বিপরীতে পূরণ () চিহ্ন দিয়া ভোট প্রদান করিতে পারিবেন। ভোট গ্রহণ সমাপ্ত হওয়ার পর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড ভোট গণনা করিবেন এবং প্রদত্ত ভোটের যথার্থতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন। একটি পদের জন্য একাধিক প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট প্রাপ্ত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
ঞ) কোন ক্লাব সদস্য পর পর দুইবার কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মকর্তা বা সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হইবার পর পূর্ব নির্ধারিত পদে পরবর্তী ২ (দুই) বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি বা তাহারা উক্ত পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে পারিবেন
ট) ভোট গণনা শেষে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা করিবেন এবং ২৪ ঘন্টার মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করিবেন। উক্ত ঘোষণাকৃত ফলাফল চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
নির্বাচনী নির্ঘণ্ট বা তফসিল :
১. সদস্যদের চাঁদা পরিশোধসহ ভোটার তালিকাভুক্তির শেষ তারিখ।
২. প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ।
৩. নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ড এর নিকট প্রাথমিক ভোটার তালিকার উপর ভোটারদের আপত্তি গ্রহণ।
৪. নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক আপীল সংক্রান্ত নিষ্পত্তিকরণ।
৫. চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ।
৬. মনোনয়ন পত্র বিক্রয়ের তারিখ ও সময়।
৭. মনোনয়ন পত্র জমা নেওয়ার শেষ তারিখ ও সময়।
৮. মনোনয়ন পত্র বাছাই এবং প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ।
৯. নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ড এর নিকট বাতিল মনোনয়ন পত্রের আপত্তি গ্রহণ এবং নিষ্পত্তিকরণ।
১০. মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ।
১১. প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ।
১২. বাৎসরিক নির্বাচনের তারিখ, সময় ও প্রাথমিক নাম ঘোষণা।
১৩. নির্বাচনী ফলাফল সম্পর্কে নির্বাচনী পরিচালনা বোর্ড কর্তৃক আপত্তি গ্রহণ এবং নিষ্পত্তি করণ।
১৪. কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা ও সদস্যদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা।
১৫. প্রধান নির্বাচন কমিশনারের স্বাক্ষর।
২৯। কল্যাণ তহবিল :
উপধারা- ১
ক্লাব সদস্যদের কল্যাণার্থে একটি কল্যাণ তহবিল থাকিবে এবং কল্যাণ তহবিল বাবদ ব্যাংকে একটি পৃথক হিসাব থাকিবে। উক্ত হিসাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হইবে।
উপধারা- ২
ক্লাবের সকল সদস্যই কল্যাণ তহবিল সংক্রান্ত নিয়মাবলী পাশ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে নগদ ১,০০০.০০ (এক হাজার) টাকা ভর্তি ফি জমাদান করত সদস্য হইতে পারিবেন এবং কল্যাণ তহবিলের সুবিধা ও সুযোগ ভোগ করিতে পারিবেন। অতঃপর ২২/০৪/২০০৬ ইং তারিখের পর নূতন সদস্য হিসাবে কেহ ভর্তি হইলে তিনি ভর্তির ৬০ দিনের মধ্যে দুই হাজার টাকা প্রদান করত সদস্যপদ গ্রহণ করিতে পারিবেন। প্রত্যেক সদস্য কল্যাণ তহবিলে নির্ধারিত টাকা জমা দানের সময় নির্ধারিত ফরম পূরণ করিয়া যে কোন ব্যক্তি বা সংস্থাকে তাহার নমিনী নিযুক্ত করিতে পারিবেন এবং নমিনী পরিবর্তনও করিতে পারিবেন।
উপধারা- ৩
ক্লাব হইতে এককালীন ১৫,০০,০০০.০০ (পনের লক্ষ) টাকা, কল্যাণ তহবিলের সদস্যদের ভর্তি ফি ও বাৎসরিক চাঁদা থেকে প্রাথমিক তহবিল গঠিত হইবে। ক্লাবের বাৎসরিক আয় হইতে প্রতি বছর ৩,০০,০০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে কল্যাণ তহবিলে জমা প্রদান করিতে হইবে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কল্যাণ তহবিলে অনুদান দিলে তা গ্রহণ করা যাইবে। ক্লাবের তহবিল হইতে কল্যাণ তহবিলে প্রতি বৎসার ৩,০০,০০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা হিসাবে ১০ (দশ) বৎসর পর্যন্ত জমা দিতে হইবে। ১০ (দশ) বৎসর পর পুনরায় পর্যালোচনা সাপেক্ষে উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাইবে। কল্যাণ তহবিল হইতে ১৫,০০,০০০.০০ (পনের লক্ষ) টাকা অধিক লাভজনক একাউন্টে অথবা প্রতিরক্ষা সঞ্চয়পত্রে স্থায়ী আমানত হিসাবে জমা থাকিবে।
উপধারা- ৪
কল্যাণ তহবিলের অর্থ কেবল মাত্র সদস্যদের কল্যাণে ব্যয় হইবে। কল্যাণ তহবিলের কোন সদস্যের মৃত্যুতে তাহার নমিনী/উত্তরাধিকারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ নিম্নবর্ণিত হারে কল্যাণভাতা প্রদান করিবে।
কল্যাণ ভাতা প্রদানের ধাপ
১. কল্যাণ ভাতা তহবিলের সদস্য হওয়ার পর ৩ বছর পর্যন্ত টাকা : ২৫,০০০/-
২. চাঁদা প্রদান ৩ (তিন) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ৫০,০০০/-
৩. চাঁদা প্রদান ৫ (পাঁচ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ৭৫,০০০/-
৪. চাঁদা প্রদান ১০ (দশ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ১,২৫,০০০/-
৫. চাঁদা প্রদান ১৫ (পনের) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ১,৫০,০০০/-
৬. চাঁদা প্রদান ২০ (বিশ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ১,৭৫,০০০/-
৭. চাঁদা প্রদান ২৫ (পঁচিশ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ২,০০,০০০/-
৮. চাঁদা প্রদান ৩০ (ত্রিশ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ২,২৫,০০০/-
৯. চাঁদা প্রদান ৩৫ (পয়ত্রিশ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ২,৫০,০০০/-
১০. চাঁদা প্রদান ৪০ (চল্লিশ) বৎসর পূর্ণ হইলে টাকা : ৩,০০,০০০/-
উপধারা- ৫
কল্যাণ তহবিলের কোন সদস্যের মৃত্যুজনিত কারণ ব্যতীত অন্য কোন রকম কারণে ক্লাব সদস্য পদ হারাইলে ঐ ব্যক্তির কল্যাণ তহবিলের সদস্যপদও তাৎক্ষণিকভাবে বিলুপ্ত হইবে। সে ক্ষেত্রে তহবিল হইতে তাহার পাওনার পরিমাণ ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্ণয় করিবে। তবে কোনক্রমেই উক্ত পাওনার পরিমাণ তাহার জমাকৃত টাকা ব্যাংকের প্রচলিত মুনাফার যোগফলের কম হইবে না।
উপধারা- ৬
কল্যাণ তহবিলের বাৎসরিক চাঁদা ২০০.০০ (দুইশত) টাকা হইবে। উহা কল্যাণ তহবিলের হিসাবে জমা হইবে। কল্যাণ তহবিলের কোন সদস্য একাধিক্রমে তিন বৎসর কল্যাণ তহবিলের বার্ষিক চাঁদা প্রদান না করিলে তাহার কল্যাণ তহবিলের সদস্যপদ বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করিতে না পারিলে সে ক্ষেত্রে প্রতি বৎসরের জন্য (দশ) টাকা বিলম্ব ফিসহ পরিশোধ করিতে হইবে। কল্যাণ তহবিলের নির্দিষ্ট সঞ্চয়ী হিসাবের টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা যাইবে না। সঞ্চয়ী হিসাবে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা জমা হইলে তাহা মেয়াদী আমানত হিসাবে জমা রাখিতে হইবে।
উপধারা- ৭
কল্যাণ তহবিলের কোন সদস্য ক্লাব হইতে ইস্তফা দিলে তিনি ২৯ নং (৪) ধারার ধাপ অনুসারে পাওনার ৬০% টাকা প্রাপ্য হইবেন।
উপধারা- ৮
ক) সদস্যপদ লাভের তিন বৎসর উত্তীর্ণ হওয়ার পর যে কোন সদস্য বৈধ প্রয়োজনে পর্যাপ্ত তহবিল থাকিলে কল্যাণ তহবিল হইতে ২৫,০০০.০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত অগ্রিম ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবেন। উক্ত টাকা পরবর্তীতে তাহার কল্যাণ তহবিলের পাওনা হইতে ব্যাংকের প্রচলিত হারে সুদসহ সমন্বয় করা হইবে। তবে ঋণ গ্রহিতা সদস্য জীবমানে ঋণের টাকা পরিশোধ করিলে ৫% সরল সুদে তাহা সমন্বয় করা হইবে।
খ) শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণ বলিতে ৩১ ডিসেম্বর ২০০৫ পর্যন্ত কাজকে বুঝাইবে।
২৯ নং ধারা সংশোধনী উপ-কমিটি
১. জনাব শামসুর রহমান খান
২. জনাব আব্দুর রশীদ খান
৩. জনাব আব্দুর রশিদ তালুকদার
৪. জনাব মফিজুর রহমান
৫. জনাব আলমগীর খান মেনু
৬. জনাব নূরুল ইসলাম
৭. জনাব মোঃ সোহ্রাওয়ার্দী
৮. জনাব ফারুক আহমদ
৯. জনাব উদয় শংকর ঘোষ
১০. জনাব সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু
১১. জনাব আব্দুর রহমান রক্কু (আহ্বায়ক)
৩০। অডিটর বা হিসাব নিরীক্ষক এবং তাহার কার্য :
ক্লাবের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ পরীক্ষা করিয়া দেখিবার জন্য একজন দক্ষ চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট ফার্ম দ্বারা স্বীকৃত নিরীক্ষকের প্রয়োজন এবং সেই ব্যক্তিকে বাৎসরিক সাধারণ সভায় ক্লাব নিয়োজিত করিলে তিনি ক্লাবের নিরীক্ষক বলিয়া বিবেচিত হইবেন। সাধারণ সদস্যগণ প্রতি বৎসর চার্টার্ড একাউন্ট্যান্ট ফার্ম দ্বারা স্বীকৃত যে কোন হিসাব নিরীক্ষককে সাধারণ সভায় নির্বাচিত করিতে পারিবেন।
ক) কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্লাবের হিসাবকে আরও সহজ ও পরিস্কার রাখিবার জন্য আভ্যন্তরীণ অডিট হওয়া প্রয়োজন মনে করিলে সেইক্ষেত্রে একজন আভ্যন্তরীণ অডিটর নিয়োগ দিতে পারিবেন।
খ) হিসাব নিরীক্ষকের পারিতোষিক বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় নির্ধারণ করিয়া এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় উত্থাপন করিয়া অনুমোদন করাইয়া লইবে। ওহঃবৎহধষ অডিটর এর পারতোষিক কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করিবে।
গ) ক্লাবের প্রয়োজনে জিনিষপত্রাদি যে ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয়ে নিয়োজিত থাকিবেন, তিনি কর্তৃপক্ষকে ক্রয় বিষয়ে চাহিদাপত্র/ ওহফবহঃ দিবেন এবং উহা পাশ হইলে তবেই ক্রয় করা যাইবে। চাহিদাপত্র/ ওহফবহঃ ছাড়া ক্রয়ের বৈধতা থাকিবে না। উহা আভ্যন্তরীণ হিসাব নিরীক্ষক পরীক্ষা করিয়া হিসাবের খাতায় তুলিবেন।
ঘ) আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষক কোন হিসাবের গড়মিল দেখিলে তাহা সাধারণ সম্পাদকে অনতিবিলম্বে অবগত করাইবেন।
৩১। ক্লাবের কর্মচারী :
ক্লাবের নানাবিধ দৈনন্দিন কাজকর্ম করিবার জন্য যে ব্যক্তিগণকে মাসিক বা দৈনিক মজুরী বা বেতন দেওয়া হয় তাহাদিগকে ক্লাবের কর্মচারী বুঝাইবে।
ক) ক্লাবের কর্মচারীগণ অর্থের সঙ্গতি অনুসারে ইনক্রিমেন্ট ও উৎসব ভাতা পাইবে। কার্যনির্বাহী পরিষদ উহা সাব্যস্ত করিবে।
খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ কর্মের যে নিয়মাবলী তৈরি করিয়া দিবে কর্মচারীগণ সেই নিয়মে পরিচালিত হইবে এবং ইহার বিপরীত হইলে চাকুরিচ্যুত হইবে।
গ) ক্লাব কর্মচারীগণকে ছুটিতে যাইতে হইলে পূর্বেই সাধারণ সম্পাদকের নিকট লিখিত দরখাস্ত পাশ করাইয়া ছুটিতে যাইতে হইবে। সম্পাদক না থাকিলে তাহার পদে স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তির নিকট হইতে অথবা কর্মচারী পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট হইতে ছুটি মঞ্জুর করাইয়া লইতে হইবে। কর্মচারী পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছুটি মঞ্জুর করিবার বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের সহিত আলাপ আলোচনা করিয়া লইবেন। ছুটি মঞ্জুর ব্যতীত কর্মচারী অনুপস্থিত থাকিলে তাহার বেতন কাটা যাইবে। কারণ ছাড়া ৭ (সাত) দিনের অধিক অনুপস্থিত থাকিলে তাহাকে বরখাস্ত করা যাইবে।
৩২। বার্ষিক বিবরণী :
বার্ষিক সাধারণ সভার বিজ্ঞপ্তির সহিত ক্লাবের বার্ষিক পরীক্ষিত হিসাব এবং কার্যক্রমসমূহ প্রণয়ন করিয়া ক্লাব সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করিতে হইবে, যাহাতে ক্লাব সদস্যদের হিসাব এবং অন্যান্য বিষয়াদী সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা জন্মায় এবং ত্রুটিগুলো সংশোধনের জন্য তুলিয়া ধরিতে পারেন।
৩৩। বিধি-বিধান :
কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্লাব পরিচালনার জন্য যে বিধি-বিধান উপযুক্ত মনে করিবে তাহা প্রণয়ন করিতে পারিবে। উহা সভার কার্যবিবরণীতে লেখা থাকিবে এবং লিখিত বিবরণ সদস্যদের অবগতির জন্য খোলা থাকিবে বা বিজ্ঞপ্তি আকারে টাঙ্গাইয়া প্রকাশ করা যাইবে।
৩৪। সাধারণ সীলমোহর :
ক) ক্লাবের পরিচিতি ও Authentication এর জন্য সীলমোহর ব্যবহার প্রয়োজন। এই সীলমোহর সম্পাদকের তত্ত্বাবধানে থাকিবে। প্রতিটি সীলযুক্ত দলিলে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক স্বাক্ষর করিবেন।
খ) ক্লাবের প্রয়োজনে সকল সম্পাদকগণ সাধারণ সম্পাদকের অনুমতিক্রমে সীলমোহর ব্যবহার করিতে পারিবেন এবং প্রতিস্বাক্ষর দিতে পারিবেন। তবে মামলা মোকদ্দমায় সাধারণ সম্পাদক ছাড়া আর কেহ প্রতিস্বাক্ষর দিতে পারিবেন না।
৩৫। বিশ্লেষণ (ইন্টারপ্রিটেশন) :
অত্র গঠনতন্ত্রের প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বিবাদ বা মতপার্থক্য সদস্যদের মধ্যে দেখা দিলে এবং উহা নিরসন না হইলে এবং বিষয়টি সভাপতির নিকট উপস্থাপিত হইলে সভাপতি গঠনতন্ত্রের ধারা অনুসারে যে ব্যাখ্যা দিবেন উহা সঠিক বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং উহা অবশ্যই পালনীয় হইবে।
৩৬। ক্ষতিপূরণ (ইন্ডেম্নিটি) :
ক্লাবের যে কোন সদস্য বা যে কোন কর্মকর্তা চুক্তি বা কার্য সম্পাদনের জন্য যে অর্থ ক্লাব হইবে তাহাকে বা তাহাদিগকে প্রদান করা হইবে বা যে চুক্তি বা কার্য ছাড়িয়া দিলে ক্লাবের ক্ষতি হয় উক্ত কার্য ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে করা হইলে তাহাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে। তবে দুর্ঘটনার কারণে কিংবা স্বেচ্ছাকৃত না হইলে তাহাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে না।
ক্লাবের যে কোন সদস্য বা যে কোন কর্মকর্তা তাহার বা তাহাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করিলে এবং উক্ত কার্যকালে ক্লাবের সুনাম হইলে ক্লাব উপকৃত হইলে তাহাকে পুরস্কৃত করা যাইতে পারে।
৩৭। গণপূর্তি/কোরাম :
যে কোন সভার নির্দিষ্ট সংখ্যক সদস্য উপস্থিত না হইলে সভার কার্যবিষয়ে আলোচনা করা যাইবে না। সেই নির্দিষ্ট সংখ্যার নাম গণপূর্তি বা কোরাম বলা হয়।
ক) কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের এক তৃতীয়াংশ উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হইবে।
খ) বার্ষিক সাধারণ সভা, অতিরিক্ত সাধারণ সভা (গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য আহুত অতিরিক্ত সাধারণ সভা ব্যতীত) ও বিশেষ সাধারণ সভায় ক্লাবের মোট সদস্য সংখ্যার এক চতুর্থাংশ (ভাগ) উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে।
গ) তলবী সভার কোরাম সাধারণ সদস্যের ৫১% উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে। কোরাম না হইলে সভাটি বাতিল হইয়া যাইবে।
ঘ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সহিত মতানৈক্য হইলে তাহা মিমাংসার ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদ সভার এক তৃতীয়াংশ ভাগ উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে।
৩৮। গঠনতন্ত্র সংশোধন :
ক্লাবের প্রয়োজনে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, সংশোধন বা নতুন করিয়া লেখা যাইবে। এই সংশোধন করিতে হইলে নিম্নলিখিত নিয়মের মধ্যে করিতে হইবে :
ক) যদি কোন কারণে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন, সংশোধন বা নতুন ধারা সংযোজন করিতে প্রয়োজন হয় তখন বিষয়টি আলোচনার জন্য সভা আহ্বান করিবেন। উক্ত বিষয়ে আলোচনা করিবার পর পরিষদ যদি ধারনা করে যে উক্ত বিষয়ে একটি এড্হক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন তবে এড্হক কমিটি গঠন করিবে। এড্হক কমিটি ধারাটি পরিবর্তন, সংশোধন বা নুতন করিয়া সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের নিকট উপস্থাপন করিলে তখন সাধারণ সম্পাদক উক্ত ধারাটি আলোচনার করার জন্য কার্যনির্বাহী সভা আহ্বান করিয়া ধারাটি পাশ করাইয়া লইবেন। ধারাটি আইনে পরিণত করিবার জন্য সাধারণ সদস্যদের বুঝার সুবিধার্থে সাদা কাগজের বাম পার্শ্বে পূর্বের ধারাটি এবং ডান পার্শ্বে নতুন ধারাটি লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত সাধারণ সভা আহ্বান করিবেন। সাধারণ সভার সদস্যদের সমর্থনে উক্ত ধারাটি আইনে পরিগণিত হইবে।
খ) গঠনতন্ত্র সংশোধনীর ক্ষেত্রে আহুত অতিরিক্ত সাধারণ সভায় ক্লাবের মোট সদস্য সংখ্যার (তিন ভাগের দুই ভাগ) সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হইবে। কোরাম গঠিত হইবার পর উপস্থিত সদস্য সংখ্যার (তিন ভাগের দুই ভাগ) সদস্যের ভোটে সংশোধনী গৃহীত বলিয়া গণ্য হইবে।
গ) ঐ সভায় অন্য কোন আলোচনা করা যাইবে না।
৩৯। বিবিধ :
ক) গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলীতে কোন বৈপরিত্য, অস্পষ্টতা বা শূন্যতা প্রতীয়মান হইলে বা দেখা দিলে এই গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলীর সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ধারা, উপ-ধারাসমূহের সহিত সামঞ্জস্য রাখিয়া এবং দেশের প্রচলিত অন্যান্য গঠনতান্ত্রিক রীতি স্বাভাবিক নিয়ম অনুসরণে কার্যনির্বাহী পরিষদ কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
খ) অত্র গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলীর কোন ধারা ও উপ-ধারা ব্যাখ্যার প্রশ্নে বিতর্ক দেখা দিলে সেক্ষেত্রে ক্লাবের সভাপতি যে ব্যাখ্যা দিবেন উহাই চূড়ান্ত বলিয়া বিবেচিত হইবে।
গ) বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাইবে।
ঘ) নির্বাচন ব্যাতীত অন্য যে কোন বিতর্কমূলক বিষয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রশ্নে হাত উঠানো বা বিভক্তি পদ্ধতিতে ভোট গণনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাইবে। সমান সংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে সভাপতি অতিরিক্ত আর একটি নির্ণায়ক ভোট (কাস্টিং ভোট) প্রদান করিয়া লটারির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
ঙ) স্বাভাবিকভাবে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ক্লাবের বাৎসরিক সভা আহ্বান করিবেন। কোন কারনে সাধারণ সম্পাদক সভা আহ্বানে ব্যর্থ হইলে সভাপতি উক্ত সভা আহ্বান করিবেন। অনুরূপভাবে আহ্বায়কের ব্যর্থতায় এড্হক কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত সভা আহ্বান করিতে পারিবেন।
চ) মুলতবি সভা নিয়মানুসারে ৭ (সাত) দিন পরে একই সময়ে, একই স্থানে, একই বারে ও একই এজেন্ডা গ্রহণ করিয়া সভাটি অনুষ্ঠিত হইবে। যদি কোন কারণবশত ঐ বারে সভাটি অনুষ্ঠান সম্ভব না হয় সেই ক্ষেত্রে সভাপতি সভার তারিখ নির্ধারণ করিবেন। তবে কোন অবস্থায় সভার তারিখ ১৫ (পনের) দিনের বেশি পিছানো যাইবে না। এইরূপ সভার কর্মসূচি ঠিক রাখিয়া নতুন করিয়া সদস্যদের নোটিশ দিয়া অবগত করাইতে হইবে। তবে মুলতবি সভার কোরাম লাগিবে না। সর্বোচ্চ ১৫ (পনের) দিন পিছাইয়া সভার তারিখ ঘোষণা দিবেন। এইরূপ ঘোষণায় সদস্যদেরকে অবশ্যই নোটিশ দিয়া অবগত করাইতে হইবে।
ছ) বাৎসরিক সাধারণ সভায় নির্ধারিত কার্যসূচি বহির্ভূত কোন আলোচনা করা যাইবে না। তবে কার্যসূচি সাপেক্ষে উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাইবে।
জ) বাৎসরিক সাধারণ সভার সভাপতির অনুমতিক্রমে যে কোন বিষয়ে আলোচনা করা যাইবে। তবে উক্ত আলোচনা অনুসারে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাইবে না। ঐ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে চাহিলে উক্ত বিষয়কে কার্যসূচিভুক্ত করিয়া অতিরিক্ত সাধারণ সভা ডাকিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবে।
ঝ) কোন স্বায়ত্তশাসিত বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী কমিটি উপদেষ্টা কমিটিতে সদস্য প্রেরণের ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন হইবে।
ঞ) ক্লাবের যে কোন অর্জিত আয় ক্লাবের উন্নতি এবং সদস্যদের কল্যাণ ও সংস্কৃতি প্রসারের ক্ষেত্রে খরচ করা যাইবে। ক্লাবের কর্মকর্তা সদস্য বা কর্মচারী ক্লাব কর্মে যদি নিষ্ঠাবান বা দক্ষ হন তাহাকে পারিশ্রমিক বা বোনাস উপহার প্রদান করা যাইবে।
ট) ক্লাব সদস্য ছাড়াও যাতীয় দুর্যোগ বা সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রাখিবার কারণে পুরস্কৃত করা যাইবে।
ঠ) কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল শেষ পর্যায়ে দেশে বিদ্যমান অলঙ্ঘনীয় পরিস্থিতি জনিত বিশেষ কারণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হইলে কার্যনির্বাহী পরিষদের কার্যকালের নির্দিষ্ট ৩১ ডিসেম্বর সময় সীমার মধ্যেই চলতি কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্লাবের অতিরিক্ত সভা আহ্বান করিয়া উক্ত সভার সিদ্ধান্ত ও অনুমোদন ক্রমে অলঙ্ঘনীয় সময় অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন। তবে কমিটি ঐ সময়কালে কেবলমাত্র পৌনঃপুনিক ব্যয় নির্বাহ করিতে পারিবেন। নূতন কোন প্রকল্প বা বৃহৎ অংকের ব্যয় করিতে পারিবেন না।
ড) এড্হক কমিটি ‘ছ’ উপ-ধারায় বর্ণিত কারণ বিদ্যমান থাকিবার সুযোগেই অর্থাৎ কালবিলম্ব না করিয়া বাৎসরিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের দিন তারিখ ঘোষণা করিয়া বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে গ্রহণ করিবে। এইরূপ ক্ষেত্রে বৎসরের যে কোন সময় বাৎসরিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোন নিয়মাবলীর বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হইবে না।
ঢ) অনুষ্ঠিতব্য বাৎসরিক সাধারণ সভার পূর্বের বাতিলকৃত কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও পরবর্তী এড্হক কমিটির আহ্বায়ক তাহাদের নিজ নিজ কার্যকাল সময়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশ পেশ করিতে বাধ্য থাকিবে।
ণ) ভূতপূর্ব ব্যর্থ নির্বাহী পরিষদ এবং ইলেকশন বোর্ড তাহাদের দায়িত্বকালে খরচের হিসাব ঐ নির্বাচনী সভায় ক্লাবের নিযুক্ত অডিটর দ্বারা হিসাব পরীক্ষা করিয়া উপস্থাপন করিতে হইবে। হিসাব পাশ না হইলে হিসাবের জন্য দায়ী থাকিবে। যে অংশের টাকা অডিট আপত্তি তুলিবে উহা যে কমিটি পূর্বে দায়িত্বে ছিল তাহার সম্পাদক ও ইলেকশন বোর্ডের প্রধান ক্লাবকে ফেরতে দিতে বাধ্য থাকিবে অথবা বার্ষিক সাধারণ সভার সদস্যগণ যেমন মনে করিবেন সেইরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবেন। সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
৪০। ক্লাবের সম্পত্তি, সম্পদ, মূলধনী তহবিল ও দায় :
ক) ক্লাবের সম্পদ সম্পত্তি ও বাৎসরিক মূলধনী তহবিল এবং দায় বিষয়ক একটি পৃথক রেজিস্ট্রার বহি থাকিবে।
খ) প্রতি বাৎসরিক সভায় ক্লাবের সম্পদ-সম্পত্তি মূলধনী তহবিল ও দায় এবং বিগত বৎসরের আয়-ব্যায়ের হিসাব নিকাশ ইত্যাদি সম্বলিত উদ্বৃত্ত পত্র (ব্যালেন্সশিট) সাধারণ সম্পাদক প্রতি বাৎসরিক সভায় অবশ্যই সদস্যদের অবগতি, আলোচনা ও অনুমোদনের জন্য পেশ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
উপসংহার
১.
ক্লাবের বর্তমান গঠনতন্ত্রটির মধ্যে ক্লাব পরিচালনার জন্য যে সকল ধারা-উপধারা লেখা রহিয়াছে তাহা বর্তমান পরিস্থিতিতে আরো বিস্তৃতি হওয়ার প্রয়োজনবোধ হওয়ায় ইংরেজি ২০০০ সালের ২৩ ডিসেম্বর এর সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্রটির নিয়মাবলীসমূহ পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নলিখিত সদস্যগণ সমন্বয়ে একটি উপ-পরিষদ গঠন করা হয়।
সদস্যগণের নাম ও পদবী :
১. জনাব শামসুর রহমান – সদস্য
২. জনাব আব্দুর রশীদ খান – সদস্য
৩. জনাব মোহাম্মদ আলী মিঞা – সদস্য
৪. জনাব কাজী সাকেরুল মওলা – সদস্য
৫. জনাব আব্দুর রশীদ তালুকদার – সদস্য
৬. জনাব হামিদুল হক মোহন – সদস্য
৭. জনাব মোঃ সোহরাওয়ার্দ্দী – সদস্য
৮. জনাব কামাক্ষানাথ সেন – সদস্য
৯. জনাব আলমগীর খান মেনু – সদস্য
১০. জনাব আতাউর রহমান খান – আহ্বায়ক
উপ-পরিষদ কর্তৃক প্রণয়নকৃত গঠনতন্ত্রটি ২২/০৮/২০০২ তারিখ অনুষ্ঠিত কার্যকরী সভায় উপস্থাপন করা হয়। আলোচনান্তে পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত ও সংশোধিত গঠনতন্ত্রটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ২০/১২/২০০২ ইং তারিখে সাধারণ সভায় উপস্থাপন করা হয়। উক্ত সভায় ধারা-উপধারা সংশোধন করিয়া এবং প্রাক-কথন সংযোজন করিবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গঠনতন্ত্রের ভাষাগত ত্রুটি এবং সংশোধনগুলি পুনরায় লিপিবদ্ধ করিয়া অতিরিক্ত সাধারণ সভায় পাশ করিয়া লওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ৩০/০১/২০০৩ ইং তারিখ অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত সাধারণ সভায় উক্ত গঠনতন্ত্রটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। নতুন গঠনতন্ত্রটি ১ জানুয়ারি ২০০৩ তারিখ হইতে কার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে, তবে নির্বাচন ব্যাপারে ২০০৩ সনের পূর্ববর্তী বর্ষকালের কার্যনির্বাহী পরিষদের কর্মকর্তা বা সদস্য নির্বাচন কার্যকাল গণনা বহির্ভূত থাকিবে।
২.
ক্লাব পরিচালনার জন্য বর্তমান গঠনতন্ত্রে যে সকল ধারা-উপধারা লেখা রহিয়াছে তাহা বর্তমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে আরো বিস্তৃতি হওয়ার প্রয়োজনবোধ হওয়ায় ২০১০ খ্রিস্টাব্দ ২৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য কার্যনির্বাহী সভায় গঠনতন্ত্রের নিয়মাবলীসমূহ পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করিবার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নলিখিত সদস্যগণ সমন্বয়ে একটি উপ-পরিষদ গঠন করা হয়।
সদস্যগণের নাম ও পদবী :
১. জনাব আতাউর রহমান খান – আহ্বায়ক
২. জনাব আলমগীর খান মেনু – সদস্য (পরে পদত্যাগ করেন)
৩. জনাব খঃ আশরাফউজ্জামান স্মৃতি – সদস্য
উপ-পরিষদ কর্তৃক পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন ও সংযোজনকৃত গঠনতন্ত্রটি ২০/০৭/২০১০ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী সভায় উপস্থাপন করা হয়। বিস্তারিত আলোচনান্তে পরিবর্তিত, পরিবর্ধিত ও সংশোধিত গঠনতন্ত্রটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অতিরিক্ত সাধারণ সভায় পাশ করিয়া লওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ০৭/০৮/২০১০ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত সাধারণ সভায় উক্ত গঠনতন্ত্রটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। অতঃপর ০৭/০৮/২০১০ খ্রিস্টাব্দ হইতে উহা কার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে।
আমাদের প্রধান কার্যালয়: ভিক্টোরিয়া রোড, টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল-১৯০০
মোবাইলঃ 01713584605 ইমেইল: rahamanshammo@gmail.com